
উখিয়া উপজেলার নির্মাণাধীন প্রায় ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ড্রেন নির্মাণকাজ ধসে পড়ার ঘটনার পর পুনরায় কাজ শুরু হলেও একই ধরনের অনিয়ম ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, ধসের ঘটনায় শিক্ষা না নিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আবারও দায়সারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের আওতাধীন ড্রেনটির একটি অংশ সম্প্রতি ধসে পড়ে। ঘটনার পর কাজ বন্ধ থাকলেও কয়েকদিন আগে পুনরায় নির্মাণকাজ শুরু হয়। তবে শুরু থেকেই কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী।
অভিযোগ রয়েছে, নির্মাণকাজে এক বস্তা সিমেন্টের সঙ্গে ৭ থেকে ৮ বস্তা বালি ব্যবহার করা হচ্ছে, যা প্রকৌশলগত মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এছাড়া উন্নতমানের বালির পরিবর্তে পাহাড় কেটে আনা লাল মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ড্রেন ধসে পড়ার পর ধারণা করা হয়েছিল সংশ্লিষ্টরা কাজের মান নিশ্চিত করবেন। কিন্তু বাস্তবে আগের মতোই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। এভাবে নির্মাণকাজ চললে ভবিষ্যতে আবারও ড্রেন ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জনগণের টাকায় বাস্তবায়িত উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে। তারা দ্রুত নির্মাণকাজের মান যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রকল্পটি সঠিকভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানান।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা বলছেন, ধসের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং নির্মাণকাজে মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত না হলে পুরো প্রকল্পই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে।



পাঠকের মতামত